April 19, 2026, 11:45 am

হাতে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ধারণে

বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কে এক যুবককে হাতকড়া পরিয়ে নির্যাতন ও হাতে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ধারণের ঘটনায় অভিযুক্ত পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদারকে প্রত্যাহার (কোজড) করা হয়েছে। বুধবারের (১০ মার্চ) এক অফিস আদেশে তাকে বরিশাল কার্যালয় থেকে প্রত্যাহার করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।

অপরদিকে সংস্থার মহাপরিচালকের নির্দেশে ওই ঘটনা তদন্ত করছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক পরিতোষ কুমার কুন্ডু। দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে তাকে বলা হয়েছে।

তদন্তে আসামি নির্যাতনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পরিচালক।

গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে নগরীর কাউনিয়া বিসিক রোড থেকে মারুফ সিকদার নামের এক যুবককে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি দল। পরে ওই যুবককে অধিদফতরের কার্যালয়ে নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে নির্যাতনের পাশাপাশি হাতে ইয়াবা দিয়ে ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠে সংস্থার পরিদর্শক আব্দুল মালেক তালুকদারের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার একটি ভিডিও চিত্র ফাঁস হলে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন হয়। পরে টনক নড়ে কর্তৃপরে। এর পরিপ্রেেিত অভিযুক্তকে প্রত্যাহার ও ঘটনার তদন্ত শুরু হয়।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা